এর আগে জাপানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া জানায়, ঋণখেলাপি হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান। আইএমএফের প্রায় ১২০ কোটি ডলারের (১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার) ঋণ দ্রুত ছাড় করাতে দেশটির কাছে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।

বাজওয়া ফোনে যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্ডি শেরমানের সঙ্গে কথা বলেছেন জানিয়ে নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, নাম না প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে সূত্রগুলো বলেছে, আইএমএফের ঋণের বিষয়ে হোয়াইট হাউস ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাজওয়া। ঋণ কর্মসূচির অধীন পাকিস্তানের এই অর্থ পাওয়ার কথা রয়েছে।

রুপির দরপতন, আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতি ও ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকটে টালমাটাল অর্থনীতি নিয়ে বিপাকে পড়েছে পাকিস্তান। কর্মকর্তারা আশা করছেন, আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে।

গত মাসে আইএমএফ জানিয়েছিল, সমন্বিত ৬ বিলিয়ন ডলারের (৬০০ কোটি ডলার) ঋণসুবিধা নিয়ে কর্মকর্তা পর্যায়ে সমঝোতা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার (১১৭ কোটি ডলার) ছাড়ের পথ সুগম হয়। নির্বাহী পর্যায়ের সমঝোতার পর এই অর্থ ছাড় করা হবে। কিন্তু ওই বৈঠক আগস্টের শেষ দিক নাগাদ পিছিয়ে দেওয়া হয়।

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন