করাচির শপিং মলে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১
পাকিস্তানের করাচির গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬১ জন নিহত হয়েছেন বলে উদ্ধারকাজে জড়িত কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে। আজ বৃহস্পতিবারও সেখানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
এর আগে ১৭ জানুয়ারি রাতে করাচির গুল প্লাজায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এম এ জিন্নাহ রোডে অবস্থিত ওই বিপণিবিতানের আগুন ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পর ১৮ জানুয়ারি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ধ্বংসস্তূপে জ্বলতে থাকা আগুন থেকে আবারও আগুন ছড়িয়ে পড়ায় গত সোমবার নতুন করে অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করতে হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্লাজার কিছু অংশ ধসে পড়েছিল। ভবনটি ছিল তিনতলা। এতে ১ হাজার ২০০টি দোকান ছিল।
অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলগুলো বিশেষায়িত সরঞ্জাম ও কাটার ব্যবহার করে রাতভর ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালায়।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনেরা উদ্ধারকাজের ধীরগতির সমালোচনা করেছেন। সেখানে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে মরদেহ খুঁজে দেখছেন। আজ গুল প্লাজার বাইরে কয়েকটি পরিবার প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নেয়।
গতকাল বুধবার পুলিশ সার্জন সুমাইয়া সৈয়দ সাংবাদিকদের বলেন, ৫০টির বেশি পরিবার দেহ শনাক্তের জন্য ডিএনএ নমুনা দিয়েছে। গতকাল প্লাজার একটি পুড়ে যাওয়া দোকান থেকে অন্তত ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১।
করাচির কমিশনার সৈয়দ হাসান নকভি জানান, ভবনের ভেতরে অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মান মেনে করা হয়নি।
আগুনের পেছনে নাশকতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
করাচির মেট্রোপলিটন কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, ভবনের ছাদে যাওয়ার দরজাটি বন্ধ ছিল। তাই কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারছিল না। তিনি বলেন, বাজারটি বন্ধ হওয়ার সময় আগুন লেগেছিল। এ কারণে বের হওয়ার সব পথ বন্ধ ছিল।