এরপর এক ভিডিও বক্তব্যে পিটিআই মহাসচিব আসাদ উমর বলেন, হত্যাচেষ্টার নেপথ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ ও একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা রয়েছেন বলে সন্দেহ করছেন ইমরান খান।

দলের নেতা মিয়া আসলাম ইকবালকে পাশে নিয়ে আসাদ উমর বলেন, ‘ইমরান খান বলেন, তাঁর কাছে আগে থেকেই তথ্য ছিল, এই লোকগুলো তাঁকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।’

পিটিআই চেয়ারম্যানকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ ওই সামরিক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবি জানান দলটির মহাসচিব। অন্যথায় দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

আসাদ উমর বলেন, যদি দাবি মেনে নেওয়া না হয়, দলের কর্মীরা ইমরান খানের ডাকের অপেক্ষায় আছেন; যখনই তিনি ডাক দেবেন, তখনই দেশজুড়ে বিক্ষোভ হবে।

এদিকে পিটিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাওয়াদ চৌধুরী রয়টার্সকে বলেন, এটা স্পষ্ট হত্যাচেষ্টা ছিল। ইমরান খান আহত হয়েছেন কিন্তু তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। তাঁর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।

ফাওয়াদ চৌধুরী আরও বলেন, যদি অস্ত্রধারীকে লোকজন না আটকাত, তাহলে পিটিআইয়ে গোটা নেতৃত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটির রাজনৈতিক ও সরকারি নেতৃত্বের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীও। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে।