গত মাসে ইমরান খানের দেওয়া একটি বক্তৃতা নিয়ে এ মামলা করা হয়েছিল। ওই বক্তৃতায় ইমরান খান পুলিশ ও বিচারিক কর্মকর্তাদের হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয় মামলায়। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা মামলায় নিজের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীর জামিন মঞ্জুর না করায় ইমরান খান এমন হুমকি দিয়েছিলেন।

ইমরান খানের আইনজীবী ফয়সাল চৌধুরী বলেছেন, ইমরান খানের ক্ষমা চাওয়ার প্রশংসা করেছেন আদালত। ক্ষমা চাওয়ার পর বেশির ভাগ অভিযোগ খারিজ হয়ে যাবে বলে দাবি করেন তিনি। ইমরান খানের ক্ষমা চাওয়া নিয়ে আদালত তাঁর রায়ের একটি লিখিত নথি প্রকাশ করবেন বলেও জানান ফয়সাল চৌধুরী।

আইনজীবী ফয়সাল চৌধুরী আরও বলেন, আদালতের দেওয়া সময়ের মধ্যেই নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে একটি আবেদন প্রস্তুত করে সেটা আদালতে দাখিল করা হবে।

আদালত অবমাননার অভিযোগে ইমরান খানকে অভিযুক্ত করার কথা ছিল হাইকোর্টের। এটি এমন একটি পদক্ষেপ, যেখানে দোষী সাব্যস্ত হলে ইমরান খানকে রাজনীতি করা থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দিতেন আদালত। পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী এ ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত রাজনীতিককে অন্তত পাঁচ বছর নিষিদ্ধ করা হয়।

এর আগে ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা তুলে নিতে ১৯ সেপ্টেম্বর আদেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের হাইকোর্ট। পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং বিচার বিভাগের এক নারী সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে মন্তব্য করার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ইমরানের নামে ২০ আগস্ট এ মামলা হয়

পাকিস্তান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন