নতুন নির্বাচনের দাবিতে গত শুক্রবার দ্বিতীয় দফা লংমার্চ কর্মসূচি শুরু করেছেন ইমরান খান। গতকাল রোববার লংমার্চ চলাকালে দেওয়া ভাষণে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করেন। সামরিক বাহিনীর কথিত নৈকট্য পেতে তাঁকে ‘পদলেহনকারী’ বলে মন্তব্য করেন পিটিআই চেয়ারম্যান।

লংমার্চে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ইমরান খান বলেন, সংলাপের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে কোনো প্রস্তাব পাঠাননি।

শাহবাজ শরিফকে উদ্দেশ করে পিটিআই চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনার কী এমন (ক্ষমতা) আছে যে আমি সংলাপের প্রস্তাব দেব। আমি তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং এখনো বলছি, যাঁদের সঙ্গে আপনার গাড়ির পেছনের অংশে লুকিয়ে বৈঠক করতে যেতেন।’

সামরিক বাহিনী ও শাহবাজ শরিফের মধ্যকার বৈঠকের প্রতি ইঙ্গিত করে ইমরান খান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তাঁর একমাত্র দাবি নতুন নির্বাচন এবং সর্বতোভাবে আইনের বাস্তবায়ন।

ক্ষমতায় আসতে সামরিক বাহিনীর কাউকে কখনো সাহায্যের অনুরোধ করেননি বলে দাবি করেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি জনগণের সমর্থন নিয়ে ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসি। জনগণকে তাঁদের নেতা বেছে নেওয়ার সুযোগ করে দিতে এখনো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আমি জনগণের সিদ্ধান্ত মেনে নেব।’

ভাষণে ২০১৮ সালের গণরায়ে পরাজিত ‘দুষ্কৃতদের’ পক্ষ না নিতে সামরিক বাহিনীকে সতর্ক করেন ইমরান খান।

এদিকে, এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) নেতা ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, পার্লামেন্ট তাঁর মেয়াদ পূর্ণ করবে।

পিটিআইয়ের সঙ্গে সংলাপের খবরও নাকচ করে দেন খাজা আসিফ। তিনি বলেন, সেনাপ্রধান নিয়োগে পিটিআই চেয়ারম্যানের কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই। এটা ‘শুধুই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ক্ষমতার’ অধীন।