বামপন্থী সাবেক ট্রেড ইউনিয়ন নেতা লুলা গত বছরের অক্টোবরে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উগ্র-ডানপন্থী তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে পরাজিত করেন। চলতি মাসের শুরুতে লুলা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন।

৭৭ বছর বয়সী লুলা তৃতীয়বারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন। আগে দুই দফায় তিনি ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটির নেতৃত্ব দেন।

লুলা দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় ব্রাজিলের রাজধানীতে দাঙ্গা হয়। ৮ জানুয়ারি বলসোনারোর হাজারো সমর্থক দেশটির কংগ্রেস ভবন, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ও সুপ্রিম কোর্ট ভবন দখল করেন। তারা হামলা-ভাঙচুর চালান। দাঙ্গার ঘটনায় হাজারো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উগ্র-ডানপন্থার উত্থান শুধু ব্রাজিলের সমস্যা নয় বলে মন্তব্য করেন লুলা। তাঁর ভাষ্যে, সারা বিশ্বেই উগ্র-ডানপন্থার উত্থান দেখা যাচ্ছে।

নিজ দেশ ব্রাজিলে বলসোনারোর প্রভাবের বিষয়টি উল্লেখ করতে গিয়ে লুলা সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রসঙ্গ টানেন। বলসোনারোকে প্রায়ই ‘ট্রপিক্যাল ট্রাম্প’ নামে অভিহিত করা হয়।

লুলা বলেন, তিনি আগে কখন ব্রাজিলকে এতটা ঘৃণা দ্বারা আঁকড়ে থাকতে দেখেননি।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যদিও আমরা বলসোনারোকে পরাজিত করেছি, তবু আমাদের অবশ্যই ঘৃণা, মিথ্যা, বিভ্রান্তি, উগ্রতাকে পরাজিত করতে হবে। কারণ, এই সমাজকে সভ্যতায় ফিরে আসতে হবে।’