গত শনিবার চিলির ন্যাশনাল সার্ভিস অব জিওলজি অ্যান্ড মাইনিং প্রথম এ গর্ত দেখতে পায়। গর্ত দেখে রহস্য তৈরি হয় তাদের মনে। এরপর গর্তটি দেখার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির পক্ষ থেকে ওই এলাকায় একাধিক বিশেষজ্ঞ পাঠানো হয়। সংস্থাটির পরিচালক ডেভিড মন্টেনেগ্রো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ডেভিড মন্টেনেগ্রো বিবৃতিতে বলেছেন, ‘গর্তটির গভীরতা ও আকার বেশ বড়। গভীরতা প্রায় ২০০ মিটার বা ৬৫৬ ফুট। আমরা গর্তের ভেতর কোনো বস্তুর সন্ধান পাইনি। কিন্তু সেখানে অনেক পানি দেখেছি আমরা।’

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি জানিয়েছে, গর্তটির কাছে অবস্থিত আলকাপারোসা খনির প্রবেশদ্বার থেকে খনির ভেতরে যাওয়ার পথগুলো ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার বিকেলে লুনডিন মাইনিং একটি বিবৃতিতে বলেছে, তাদের খনির জমিতে একটি গর্ত তৈরি হয়েছে। তবে তাতে শ্রমিক ও কর্মীদের সমস্যা হচ্ছে না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গর্তটির সবচেয়ে কাছে থাকা বাড়ির দূরত্ব ৬০০ মিটারের বেশি। এ ছাড়া এর আশপাশে এক কিলোমিটারের মধ্যে জনবহুল এলাকা বা কোনো সরকারি অফিস নেই।

যেখানে গর্তটি তৈরি হয়েছে, তার ৮০ শতাংশের মালিকানা কানাডীয় কোম্পানি লুনডিন মাইনিংয়ের। বাকিটার মালিকানা জাপানের সুমিতোমো করপোরেশনের।

লাতিন আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন