গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পর্যটনমন্ত্রী লুইস ফার্নানদো হেলগুয়েরো বলেছেন, এ কারণে ৪১৮ জন আটকা পড়েছেন।

তবে ওই দিন রাতে পর্যটনমন্ত্রী এক ঘোষণায় বলেন, ১৪৮ বিদেশি ও ২৭০ পেরুবাসীকে ট্রেনে ও বাসে করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভের কারণে মাচুপিচুতে এই প্রথমবার পর্যটকেরা আটকা পড়েছেন এমন নয়। গত মাসে কয়েক দিন ধরে কয়েক শ পর্যটক সেখানে আটকা থাকার পর তাঁদের উড়োজাহাজে করে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আন্দেজ পর্বতের শীর্ষে অবস্থিত মাচুপিচুকে বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি। এটি পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। প্রতিবছর এখানে প্রায় ১০ লাখ মানুষ ভ্রমণ করে।

কিছু পর্যটক ইনকা ট্রেলপথ দিয়ে মাচুপিচু দেখতে যান। পেরুর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, যাঁরা মাচুপিচু দেখতে এরই মধ্যে টিকিট কেটেছেন, তাঁরা সেই টিকিট বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পর এক মাস ধরে ব্যবহার করতে পারবেন।

পেরুর নতুন প্রেসিডেন্ট দিনা বলুয়ার্তের পদত্যাগ ও নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। তবে দিনা বলুয়ার্তে পদত্যাগ করতে রাজি হননি।

বিক্ষোভকারীরা বামপন্থী পেদ্রো কাস্তিলোর মুক্তি চান। তাঁকেই নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে চান। পেদ্রো বিদ্রোহ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন। পেদ্রো অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনিই দেশটির বৈধ নেতা বলে দাবি জানিয়েছেন।

বিক্ষোভ চলাকালে পেরুতে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।