বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, করোনার নানা ধরনের মধ্যে এখন পর্যন্ত অমিক্রনের জিনগত রূপান্তর সবচেয়ে বেশি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের সংশয় ছিল প্রচলিত টিকা হয়তো নতুন এ ধরনটির ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না। তবে সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায়, অমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার পর মারাত্মক শারীরিক জটিলতা রুখতে কাজ করবে টিকাগুলো।

বুস্টার ডোজ নিয়ে গতকাল বুধবার এক বিবৃতি দিয়েছেন ফাইজারের প্রধান নির্বাহী অ্যালবার্ট বোরলা। সেখানে তিনি জানান, টিকার বাড়তি একটি ডোজ অমিক্রনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা বাড়বে। করোনার বিস্তার ঠেকাতে যত বেশি সম্ভব মানুষকে টিকার পূর্ণ ডোজ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সর্বোত্তম উপায় হিসেবে রয়েছে বুস্টার ডোজ।

তবে গবেষণার এ ফল প্রাথমিক বলে জানিয়েছে ফাইজার ও বায়োএনটেক। এ–সংক্রান্ত আরও তথ্য সংগ্রহ করছে তারা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে করোনার বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে গবেষণার কার্যকারিতাও। এর আগে ফাইজার-বায়োএনটেক জানিয়েছিল, অমিক্রন ধরনের জন্য আলাদা একটি টিকা তৈরি করছে তারা। অনুমোদন পেলে তা ১০০ দিনের মধ্যেই বাজারে আসবে।

সম্প্রতি অমিক্রন নিয়ে আলাদা দুটি গবেষণা চালায় ফাইজার-বায়োএনটেক এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা। দুটি গবেষণাতেই দেখা গেছে, করোনার আগের ধরনগুলোর তুলনায় অমিক্রনের বিরুদ্ধে টিকা কম সুরক্ষা দেয়।

এর মধ্যেই আশার কথা শুনিয়েছে ফাইজার-বায়োএনটেক। তারা বলছে, টিকার তৃতীয় একটি ডোজ নিলে শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ২৫ শতাংশ বাড়ে। এর ফলে আগে দুই ডোজ টিকা নিলে যে সুরক্ষা মিলত, এখন তিন ডোজ নিলে অমিক্রনের বিরুদ্ধে একই সুরক্ষা মিলবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন