বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক আভ্রিল হাইনেস বলেছেন, এখনই আফগানিস্তানকে মার্কিন গোয়েন্দারা অগ্রাধিকার দিচ্ছেন না। আমেরিকার কাছে এখন গোয়েন্দা অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে ইয়েমেন, সিরিয়া, সোমালিয়া ও ইরাক। এসব এলাকাকে এখন জঙ্গিবাদের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সিআইএর উপপরিচালক ডেভিড কোহেন বলেছেন, ইতিমধ্যে আফগানিস্তানে আল-কায়দার কিছু রাজনৈতিক তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে আল-কায়দা কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠবে, তা এখনই হিসাব করার সময় আসেনি। কিন্তু পরিস্থিতির ওপর যুক্তরাষ্ট্র নজর রাখছে বলে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা সম্মেলনে উল্লেখ করেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য জানায়।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কিছু আল-কায়দা নেতার আফগানিস্তানে ঢোকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আল-কায়দার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আমিন আল হকের আগস্ট মাসে আফগানিস্তানে প্রবেশের ভিডিওচিত্র মার্কিন কর্তৃপক্ষের হাতে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করছেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নাজুক করে তুলেছে। তালেবানের হাতে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ার পর মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেশটির যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছে। পুরো পরিস্থিতিকে অপরিকল্পিত বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে তাঁরা দায়ী করছেন।

ফ্লোরিডা থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান মাইকেল ওয়াল্টজ ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আমেরিকা আরেকটি নাইন-ইলেভেন হামলার সম্মুখীন হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। এবার আল-কায়দা, হাক্কানি নেটওয়ার্কসহ অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠী এক হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের মতো হামলা চালাতে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা। এ আশঙ্কার পেছনে মাইকেল ওয়াল্টজ আফগানিস্তান থেকে অপরিকল্পিত মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে দায়ী করেছেন।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় সিআইএর প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন লিওন পেনেটা। আফগানিস্তানে তালেবান সরকার আল-কায়দার মতো জঙ্গিগোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি। জঙ্গিরা নিজেরা সংগঠিত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর আবার হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা সিআইএর সাবেক প্রধান লিওন পেনেটার।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন