বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম এই অধিবেশন যাতে করোনার সংক্রমণ বিস্তারের কোনো অনুষ্ঠানে পরিণত না হয়, সে লক্ষ্যে জাতিসংঘ বিশ্বনেতাদের নিউইয়র্কে সমবেত না হওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করার চেষ্টাও চালিয়েছে।
এবারের অধিবেশনে অন্য বিশ্বনেতাদের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে ভাষণ দেবেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর জাতিসংঘে এটি হবে তাঁর প্রথম সফর। অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে সবাইকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে তাঁরা করোনার পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে তাঁদের কোনো প্রমাণ দেখাতে হবে না।

খবরে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত ৫৭০ কোটি ডোজ করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে আফ্রিকায় টিকা দেওয়ার হার মাত্র ২। প্রেসিডেন্ট বাইডেন আগামী বুধবার ওয়াশিংটন থেকে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার নেতা এবং প্রধান নির্বাহীদের এক ভার্চ্যুয়াল সম্মেলন আয়োজন করবেন। বিশ্বজুড়ে করোনার টিকার বণ্টন জোরদার করাই এ সম্মেলনের উদ্দেশ্য।

অধিবেশনে জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাব ও করোনার সংক্রমণ মোকাবিলার প্রচেষ্টার ওপর বিশ্বনেতারা গুরুত্ব দেবেন। বিশ্বনেতাদের এই সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে মাত্র ২৪ ঘণ্টার জন্য অবস্থান করবেন বাইডেন। সোমবার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। পরদিন মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর পর ভাষণ দেবেন বাইডেন। সেখানে করোনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের কথা তুলে ধরবেন তিনি।

জাতিসংঘে বাইডেনের প্রতিনিধি লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড বলেছেন, ভাষণে বাইডেন আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকারের বিষয় যেমন করোনা মহামারি রোধ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, মানবাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও আন্তর্জাতিক নিয়ম–নীতিভিত্তিক শৃঙ্খলাব্যবস্থা নিয়ে কথা বলবেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন