বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইন্টিগ্রাল ইকোলজি রিসার্চ সেন্টারের বাস্তুবিজ্ঞানী এবং এই গবেষণার প্রধান লেখক ভিটেক জিরিনেক বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমার জন্য সবচেয়ে বড় যে বিষয় উঠে এসেছে, সেটা হলো বিশ্বের বৃহত্তম চিরহরিৎ এই বনাঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে মানবসৃষ্ট বিপর্যয়, যেমন বন উজাড়ের মতো ঘটনার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।’ তিনি আরও বলেন, কপ ২৬ সম্মেলনে এটিও ছিল আলোচনা করার মতো বিষয়।

গবেষণায় ১৫ হাজারের বেশি পাখির তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছেন জিরিনেক ও তাঁর সহকর্মীরা। এ জন্য ৪০ বছর ধরে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছেন তাঁরা। এ সময়ে এসব পাখি ধরা, পাখির আকার পরিমাপ, ওজন করা ও নজরদারির জন্য শনাক্ত করার পদ্ধতি নিয়ে কাজ করেছেন তাঁরা।

গবেষকেরা দেখতে পেয়েছেন, আশির দশক থেকে প্রায় সব পাখি হালকা হয়ে গেছে। প্রতি দশকে গড়ে ২ শতাংশ ওজন হারিয়েছে বেশির ভাগ প্রজাতি। অর্থাৎ আশির দশকে একটি পাখির ওজন যেখানে ছিল ৩০ গ্রাম, এখন গড়ে তার ওজন হয়েছে ২৭ দশমিক ৬ গ্রাম।

default-image

কোনো নির্দিষ্ট একটি এলাকা নয়, বরং আমাজনের বৃহৎ এলাকার পাখির তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে জিরিনেক ও তাঁর সহকর্মীরা এই গবেষণা করেন। যার অর্থ হচ্ছে, এ ঘটনা সর্বব্যাপী।

গবেষণার সহলেখক লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ফিলিপ স্টোফার বলেন, আমাজনের সব পাখির মধ্যে যখন এমনটা ঘটেছে, তখন বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। গবেষণার সঙ্গে যুক্ত সবার বিশ্বাস, বিশ্বজুড়ে অন্য প্রজাতিগুলোও এমন চাপের মধ্যে রয়েছে। সেসব প্রজাতির তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ না করায় তা জানা যাচ্ছে না।
ফিলিপ স্টোফার বলেন, বিশ্বজুড়ে এমনটা ঘটছে। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। শুধু পাখির ক্ষেত্রে নয়, সম্ভবত অন্য প্রজাতির ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন