বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিনেটে অভিশংসন আদালতের দণ্ড থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, তাঁর ‘মেক আমেরিকা গ্রেট’ আন্দোলনকে আরও তীব্রতর করা হবে।

কংগ্রেসে ১০ জন ও সিনেটে ৭ জন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। সিনেটে রিপাবলিকান পার্টির নেতা মিচ ম্যাককনেল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিলেও বিপক্ষে ভোট দেননি। ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলার জন্য ট্রাম্পের নৈতিক দায় রয়েছে—এমন বক্তব্য দিয়ে উল্টো রোষানলে পড়েন সিনেটর মিচ ম্যাককনেল।

ট্রাম্প বলেছেন, মিচ ম্যাককনেলের মতো নেতার সঙ্গ পরিহার না করলে রিপাবলিকান পার্টি কখনোই জয়ী হতে পারবে না।

ট্রাম্প বলেছেন, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁর ‘মেক আমেরিকা গ্রেট’ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানো প্রার্থীদের পক্ষে তিনি অবস্থান নেবেন।

দল গঠনের ঘোষণা না দিলেও ট্রাম্প মার্কিন রক্ষণশীল রাজনীতির সোচ্চার ও বেপরোয়া নেতা হিসেবে দলের একটি অংশের কাছে বিকল্পহীন হয়ে উঠেছেন।

নানা কারণে এখনো চাপে আছেন ট্রাম্প। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ঝামেলাগুলো কতটা পথ গড়ায়, তা দেখার অপেক্ষা করছেন তিনি।

ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টিকে নিজের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে চেষ্টা করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তা করতে ব্যর্থ হলে নিজেই আলাদা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলবেন। ট্রাম্পের জন্য উভয় সম্ভাবনাই জোরালো বলে মার্কিন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে মন্তব্য করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন