বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গবেষণার ফলাফল গবেষকদের রীতিমতো আশাবাদী করে তোলে। দেখা গেছে, যাঁরা জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা নিয়েছেন, তাঁদের একই ধরনের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার পর অ্যান্টিবডি চার গুণ বেড়েছে। ফাইজারের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার পর অ্যান্টিবডি বেড়েছে ৩৫ গুণ। আর মডার্নার টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার পর অ্যান্টিবডি বেড়েছে ৭৬ গুণ।

গবেষণায় আরও জানানো হয়, যাঁরা মডার্নার টিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের অ্যান্টিবডির মাত্রা ফাইজার অথবা জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় বেশি ছিল। বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর কারও শরীরে বড় ধরনের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি বলেও গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়।

তবে গবেষণাটি এখনো পর্যালোচনা করা হয়নি। এ গবেষণায় কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা ছিল কম। গবেষণায় ১৫ দিন ধরে অংশগ্রহণকারীদের পর্যবেক্ষণ করা হয়। কিন্তু এরপর রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও কমতে পারে। এসব বিষয় গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে বেলর কলেজ অব মেডিসিনের শিক্ষক পিটার হোটেজ টুইটে বলেন, সংক্ষিপ্ত পরিসরে এ গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে বড় কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোই ভালো। তিনি বলেন, এনআইএইচের গবেষণার ফলাফল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) বিশেষজ্ঞ দল আলোচনা করেছে। আগামী বৃহস্পতি বা শুক্রবার বুস্টার ডোজের জন্য মডার্না ও জনসন অ্যান্ড জনসনের আবেদন বিবেচনা করার কথা রয়েছে।

ফাইজারের বুস্টার ডোজ টিকা এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদন পেয়েছে। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী উচ্চঝুঁকিতে থাকা মানুষ এবং যাঁরা করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের বেশি সংস্পর্শে আসেন, তাঁদের জন্য এ টিকার বুস্টার ডোজ অনুমোদন পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন