বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দেবেন জেসিকা। এ সময় তাঁর সঙ্গী হবেন নাসার দুই নভোচারী কেজেল লিন্ডগ্রেন ও রবার্ট হাইনস এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারী সামান্থা ক্রিস্টোফোরেত্তি। তাঁরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অবস্থান করে গবেষণায় অংশ নেবেন।

জেসিকা একজন ভূতত্ত্ববিদ। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন জেসিকা। ২০১৭ সালে তিনি নাসার নভোচারী হিসেবে নির্বাচিত হন।
গত বছর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছিলেন মার্কিন নভোচারী ভিক্টর জে গ্লোভার। তিনি ছিলেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী। তাঁর পথ ধরে এবার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে মহাকাশ স্টেশনে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন জেসিকা। তিনি নাসার চন্দ্র অভিযান প্রকল্পের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। ২০২৫ সালের মধ্যে প্রথম নারী হিসেবে তিনি চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তবে গ্লোভার ও জেসিকার আগে নাসার পক্ষ থেকে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি হিসেবে মহাকাশে যাওয়ার কথা ছিল জেনেত্তে এপসের। ২০১৮ সালে নভোচারী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করে নাসা। তবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের পথে নির্ধারিত যাত্রার মাত্র ছয় মাসের কম সময় আগে তাঁর নাম বাদ পড়ে। তবে এর কারণ প্রকাশ করেনি নাসা। ওই ঘটনার পর জেনেত্তে এপসের ভাই নাসার বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ তুলেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন