বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাংবাদিকদের কলবি বলেন, এটি কোনো সহিংস হামলা নয়। নিজেদের মধ্যে মারামারির সময় ওই শিক্ষার্থী অস্ত্র বের করেছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনের শরীরে গুলির আঘাত লেগেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, আহতদের মধ্যে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের অবস্থা সংকটাপন্ন। অন্যরা শঙ্কামুক্ত আছে। আহতদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা এক নারী রয়েছেন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

গুলির ঘটনার পরে স্কুলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের যাতে অভিভাবকেরা নিয়ে যেতে পারেন, সে জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করে দেয় পুলিশ।

কলবি জানান, দুই বা তিনটি গুলি করা হয়েছে। আরলিংটন স্কুলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে, গুলির ঘটনার পর স্কুলের চারপাশে বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সশস্ত্র পুলিশ কর্মকর্তারা ক্যাম্পাসে তল্লাশি চালাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের ট্রাকের উপস্থিতিও দেখা গেছে।
করোনা পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলগুলো এক বছর ধরে অনলাইনে ক্লাস নিয়েছে। এরপর সশরীর ক্লাস শুরু হয়। টিম্বারভিউ হাইস্কুলে প্রায় ১ হাজার ৯০০ শিক্ষার্থী রয়েছে।

১৯৯৯ সালে কলোরাডোর কলাম্বাইন হাইস্কুলে হামলার ঘটনায় ১৩ জন নিহত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলগুলোতে ২ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী বন্দুক সহিংসতার মুখোমুখি হয়েছে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক পরিসংখ্যানকে উদ্ধৃত করে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে। বন্দুক সহিংসতার মুখোমুখি হওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকায় হতাহতেরা ছাড়াও প্রত্যক্ষদর্শী কিংবা ঘটনাস্থল থেকে পালাতে সক্ষম হওয়া শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলগুলোতে ২৯টি বন্দুক হামলা হয়েছে। ২০১৯ সালে হয়েছে ২৭টি বন্দুক হামলা। পোস্টের ওই তালিকায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুক হামলা, আত্মহত্যা কিংবা অনিচ্ছাকৃত গুলির ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি
স্কুলে সবশেষ ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে ২০১৮ সালে। ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডের একটি হাইস্কুলে সাবেক এক শিক্ষার্থীর হামলার ওই ঘটনায় ১৭ জন নিহত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন