বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শৈশব থেকে পড়াশোনার প্রতি ভীষণ আগ্রহ এলিয়টের। তার মা মিশেল ট্যানার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ছোট্টবেলায় এলিয়টের বয়সী বেশির ভাগ শিশু যখন জুতার ফিতা বাঁধা শিখছিল, তখনই সে পুরো বই পড়তে পারত। মাত্র দুই বছর বয়সে সে পড়তে শুরু করে। আমরা তাকে তখন পড়তে বসতে বিলিনি। নিজের আগ্রহেই এলিয়ট পড়াশোনা শুরু করে।’

মিশেল ট্যানার জানান, ৯ বছর বয়সে এলিয়ট কলেজ পর্যায়ের বই পড়তে শুরু করে। দুই বছরের মধ্যে সে কলেজ পর্যায় উতরে যায়। নরমানডেল কমিউনিটি কলেজে এলিয়টের পড়ার বিষয় ছিল বিজ্ঞান। এলিয়েট বলেন, ‘আমার জীবনে এটা ভীষণ ভালো একটি অভিজ্ঞতা। এখন স্নাতক শেষ হয়েছে। তবে এখানেই পড়ার পাট চুকে যাবে না। পরবর্তীতে আমি পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে চাই।’

মাত্র ১৩ বছর বয়সে যেই ছেলে স্নাতক শেষ করেছে, সে দ্রুত পিএইচডি ডিগ্রি পাবে, এমনটা মনে করছেন অনেকেই। এলিয়টের কণ্ঠেও ঝরেছে আশাবাদের সুর। পিএইচডির পর কী করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে এলিয়ট সংবাদমাধ্যমকে বলে, ‘আমি শিক্ষক হতে চাই। একসময় ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটায় পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে নিজেকে দেখতে চাই। পদার্থবিজ্ঞান আমার সবচেয়ে পছন্দের বিষয়।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন