গতকাল বাইডেনের ওই সাক্ষাৎকার সম্প্রচারিত হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস বলেছে, তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বদলায়নি।

তাইওয়ানের বিষয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান সব সময়ই কৌশলগত। চীনের পূর্বাঞ্চলের উপকূলে তাইওয়ান স্বশাসিত একটি দ্বীপ। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের অঞ্চল বলে মনে করে। তবে ওয়াশিংটন এই ইস্যুতে বরাবরই কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। ওয়াশিংটন এক চীন নীতি মেনে চলে। বেইজিংয়ের সঙ্গে এটি ওয়াশিংটনের সম্পর্কের ভিত্তি।

এক চীন নীতি অনুসারে তাইওয়ান চীনের অংশ। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। দ্বীপদেশটির সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে তাইওয়ানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট অনুসারে ওয়াশিংটন তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি করে।

সিবিএস সিক্সটি মিনিটসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গতকাল বাইডেন বলেন, ‘এক চীন নীতি রয়েছে। স্বাধীনতার বিষয়ে তাইওয়ানের নিজস্ব বক্তব্য রয়েছে। আমরা তাদের স্বাধীনতায় উৎসাহ দিচ্ছি না। এটা তাদের সিদ্ধান্ত।’

গত মে মাসেও একইভাবে তাইওয়ানের পাশে থাকার কথা বলেছিলেন বাইডেন। তিনি সে সময় বলেছিলেন, হামলা হলে তাইওয়ানের পাশে মার্কিন সেনাবাহিনী থাকবে।এরপর হোয়াইট হাউস বলেছে, তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি নীতির কোনো পরিবর্তন হবে না।

এ মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা খাতে ১১০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করতে সম্মত হয়েছে।

গত আগস্টে তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির বিতর্কিত সফরকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে।
এই সফরের পর বেইজিং তাইওয়ানের চারপাশে পাঁচ দিনের সামরিক অবরোধ জারি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, তারা তাইওয়ানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তবে বেইজিং বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। তাইওয়ানও চীনের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার বিষয়টি জানিয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন