তাঁর পেট ও ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আহত রুশদিকে হেলিকপ্টারে করে পেনসিলভানিয়ার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়।

রুশদির ওপর চালানো এই হামলায় বিশ্বের অনেকে শোক জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

রুশদির হামলাকারী হাদি মাতারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড দেখে তাঁকে কট্টরপন্থী শিয়া মতাবলম্বী এবং ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে মনে করা হচ্ছে।

৭৫ বছর বয়সী সালমান রুশদির জন্ম ভারতের মুম্বাইয়ে। ১৪ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাজ্যে যান। সেখানে পড়াশোনা শেষে লেখালেখি শুরু করেন। ‘মিডনাইট চিলড্রেন’ উপন্যাসের জন্য ১৯৮১ সালে বুকার পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮৮ সালে তাঁর চতুর্থ উপন্যাস ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ প্রকাশিত হয়।

তাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পরের বছর ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা আলী খামেনি এই লেখককে হত্যার ফতোয়া দেন। এরপর দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন সালমান রুশদি।

২০২০ সাল থেকে সালমান রুশদি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ইরানের ফতোয়ার তিন দশক পার হওয়ায় অনেক স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলেন তিনি। এর মধ্যে তাঁর ওপর এই হামলা হলো।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন