নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে আজ শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কেনা এসব গোলা ইউক্রেনে পাঠাতে চায় ওয়াশিংটন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, এসব গোলাবারুদ কিনতে ইউক্রেন সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স ইনিশিয়েটিভ (ইউএসএআই) তহবিল ব্যবহার করা হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হয়ে এসব গোলা ইউক্রেনে পাঠানো হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এই আলাপের খবর প্রকাশ হয়ে গেলে চুক্তিটি ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন এই কর্মকর্তা।

গোলাবারুদ চুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ইউক্রেনে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ না করার বিষয়ে দেশটির অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রই শেষ ব্যবহারকারী, এমনটা ধরে নিয়েই কামানের গোলা বিক্রির বিষয়ে তাদের এই ‘গোপনীয়’ দর–কষাকষি চলছে।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৫৫মিমি গোলাবারুদ মজুতে ঘাটতি পূরণের জন্য গোলাবারুদ রপ্তানির বিষয়ে মার্কিন ও কোরিয়ান কোম্পানিগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ বলেছে, এই মাসের শুরুর দিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে আলোচনার সময় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি জং-সুপ এই গোলাবারুদ চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ‘নীতিগতভাবে’ একমত হয়েছেন।