ডেমোক্র্যাটদের চমক

ডেমোক্র্যাটরা রাজনৈতিকভাবে ঘরে-বাইরে বিপর্যস্ত ছিল। তারপরও তারা চমক দিয়ে ভালো করেছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীকেও হারিয়েছে। ভার্জিনিয়া থেকে টেক্সাস পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রতিনিধি পরিষদের আসনে তারা অপ্রত্যাশিতভাবে জিতে গেছে। অনেক জায়গায় সিনেটে সহজ জয় পেয়েছে। এসব জায়গায় তাদের জেতা নিয়ে সংশয় ছিল। নিউ হ্যাম্পশায়ার এমনই একটি দুর্বল জায়গা ছিল তাদের জন্য।

স্পিকার নিয়ে গোলযোগ

রিপাবলিকানরা যদি প্রতিনিধি পরিষদে বড় ব্যবধান না রাখতে পারে, তবে তারা সমস্যায় পড়বে। ইতিমধ্যে কেভিন ম্যাকার্থি প্রতিনিধি পরিষদে নিজেদের জয়ী বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আধিপত্য দেখিয়েছি। ন্যান্সি পেলোসি (বর্তমান স্পিকার) এখন সংখ্যালঘু।’ তবে অনেক জরিপে দেখা গেছে, এক আসনে জয়-পরাজয় হতে পারে। এমন পরিস্থিতি হলে স্পিকার প্রার্থী হিসেবে ম্যাকার্থিকে ভুগতে হবে।

ট্রাম্প বনাম দাসান্তিস

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন ইঙ্গিত তিনি দিয়েছেন। কিন্তু বিষয়টি এখন কিছুটা অনিশ্চিত। দলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এখন দাসান্তিস। ট্রাম্প যেখানে নড়বড়ে অবস্থান দেখিয়েছেন, সেখানে শক্তিশালী অবস্থান দেখাতে পেরেছেন দাসান্তিস।

গণতন্ত্র নিয়ে সংশয় থেকে যাবে

নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে ট্রাম্পের দাবির পক্ষে অনেক রিপাবলিকানের সমর্থন রয়েছে। এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের তত্ত্ব সমর্থনকারী অনেকে হেরে গেছেন। তাঁরা নির্বাচন ঘিরে অভিযোগ তুলবেন। এর বাইরে ১৫৯ প্রার্থী গত মঙ্গলবারের নির্বাচনে জিতেছেন। তাঁরাও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে কথাবার্তা চালিয়ে যাবেন।