আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি বাইডেনের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেওয়ার দিন নির্ধারিত রয়েছে।

২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বাইডেনের পাশে নিরবচ্ছিন্নভাবে রয়েছেন রন। তিনি বাইডেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এই পদে যিনি কাজ করেন, তাঁকে নানামুখী চাপের মধ্যে থাকতে হয়। এই পদে দুই বছর দায়িত্ব পালনের পর এখন রন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন বলে খবর এল।

প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মেয়াদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তাঁর চিফ অব স্টাফ রন পদত্যাগ করতে পারেন।

কেননা, একের পর এক সরকারি গোপনীয় নথি উদ্ধারের ঘটনায় বাইডেন এখন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে আছেন। সবশেষ গত শুক্রবার দেশটির ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যে বাইডেনের পারিবারিক বাড়িতে সরকারি আরও ছয়টি গোপনীয় নথি পাওয়া যায়।

এদিকে ৮০ বছর বয়সী বাইডেন ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবার লড়বেন কি না, সে বিষয়ে তিনি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা দিতে পারেন। তাঁর রিপাবলিকান প্রতিপক্ষ ৭৬ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

হোয়াইট হাউসের খুব কমসংখ্যক চিফ অব স্টাফই চার বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে চিফ অব স্টাফ পদে চারজন কাজ করেছেন।

হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ মূলত প্রেসিডেন্টের দৈনন্দিন কাজের তালিকা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকেন। তাঁকে প্রেসিডেন্টের ‘গেটকিপার’ বা দ্বাররক্ষী হিসেবে বর্ণনা করা হয়। মূলত রাজনৈতিক বিবেচনায় এই পদে নিয়োগ হয়। এই পদে নিয়োগের জন্য সিনেট কমিটির অনুমোদন লাগে না।

৬১ বছর বয়সী রন তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোরের চিফ অব স্টাফ হিসেবে ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে বাইডেন ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ২০০৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত তাঁর চিফ অব স্টাফ পদে দায়িত্ব পালন করেন রন।

বারাক ওবামারও ঘনিষ্ঠ ছিলেন রন। ওবামার সময় তিনি ইবোলা ভাইরাস মোকাবিলা-সংক্রান্ত হোয়াইট হাউসের সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন।