বাইডেনের চিফ মেডিকেল অ্যাডভাইজার ফাউচি সিএনএনকে বলেন, ‘আপনি তো সারা জীবন থাকতে পারবেন না। আমি আমার পেশাজীবনে আরও অন্য কাজ করতে চাই, যদিও আমার অনেক বয়স হয়েছে।’ পলিটিকোকে বলেন, কোভিডের প্রকোপ শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি থাকবেন না। কারণ, করোনা শিগগিরই যাচ্ছে না।

১৯৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের (এনআইএইচ) অধীন এনআইএআইডির পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর সাতজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের অধীন দায়িত্ব পালন করেছেন। করোনার প্রকোপ শেষ হওয়া নিয়ে ফাউচি বলেন, ‘আমার মনে হয়ে, এটা (কোভিড) নিয়েই আমাদের চলতে হবে।’

চীন থেকে যখন গোটা বিশ্বে কোভিডের প্রাদুর্ভাব ছড়ায়, তখন মহামারি এই ভাইরাস নিয়ে আস্থা রাখার মতো তথ্যের উৎস হয়ে ওঠেন ফাউচি। তিনি তাঁর ঠান্ডা মেজাজ ও পেশাগত আচরণ নিয়ে প্রায় সংবাদমাধ্যমের সামনে আসতেন। সংবাদমাধ্যমে তাঁর শান্ত ও অধ্যাপকের মতো পরামর্শ মানুষের উদ্বেগ অনেকটা কমে।

যুক্তরাষ্ট্রের কোভিড মহামারি মোকাবিলার ব্যর্থতা নিয়ে সত্য কথা বলার কারণে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ান তিনি। এতে চিকিৎসক থেকে বিজ্ঞানী হয়ে ওঠা ফাউচি ডানপন্থীদের বিদ্বেষের মুখে পড়েন। পরিবার মৃত্যু ও হয়রানির হুমকি পাওয়ায় এখন তাঁকে নিরাপত্তা বলয়ে থাকতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন