ওয়ালেসের বাড়ি যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের ডরসেটের ওয়েমাইথে। তিনি যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর প্রকৌশলী ছিলেন। সংবাদমাধ্যমকে ওয়ালেস জানিয়েছেন, পাঁচ বছর আগে তিনি তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন।

ওই সময় উড়োজাহাজে ওঠার আগে তিনি একটি ইয়ারবাড কেনেন। উদ্দেশ্য ছিল, যাত্রাপথে উড়োজাহাজের প্রকট শব্দ যাতে কানের ক্ষতি না করে। উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় ইয়ারবাড তাঁর কানেই ছিল।

ওই সময় কোনোভাবে একটি ইয়ারবাড ওয়ালেসের কানে ঢুকে যায়। কিন্তু সেটা বুঝতে পারেননি তিনি। দেশে ফেরার পরও তিনি দিব্যি জীবন কাটিয়েছেন। কিন্তু ধীরে ধীরে তাঁর শ্রবণশক্তি কমতে থাকে। উদ্বিগ্ন ওয়ালেস ও তাঁর স্ত্রী বাড়িতে একটি ‘হোম এন্ডোসকোপ কিট’ কিনে আনেন।

এটার মাধ্যমে শরীরের ভেতরে কিছু থাকলে তা পরীক্ষা করা যায়। সেই যন্ত্রে ওয়ালেসের কানের ভেতরের অংশে সাদা রঙের একটা বস্তু শনাক্ত হয়। পরে ওয়ালেস স্থানীয় একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞের কাছে ছুটে যান। চিকিৎসক তাঁর কান থেকে পুরোনো সেই ইয়ারবাড বের করে আনেন।