নিকোলা মাদুরোর স্ত্রী ফ্লোরেস কীভাবে কপালে আঘাত পেলেন
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় সকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র বিতর্কিত সামরিক অভিযান চালিয়ে স্থানীয় সময় গত শনিবার শেষ রাতে কারাকাসের সেফ হোম থেকে তাঁদের তুলে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায়।
সিলিয়া ফ্লোরেসের আইনজীবীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে ফ্লোরেসকে যখন আদালতে আনা হয়, তখন তাঁর কপালে ও রগ বরাবর ব্যান্ডেজ ছিল। এ ছাড়া তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও পাঁজরে চোট থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, গত শনিবার শেষ রাতে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের চালানো সেই অভিযানের সময় ফ্লোরেস এসব আঘাত পেয়েছেন। ওই অভিযানেই মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে সেফ হোম থেকে তুলে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরে নেওয়া হয়।
সিলিয়া ফ্লোরেস ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন ব্যক্তিত্ব। মজার ব্যাপার হলো, তার পদবি ‘ফার্স্ট লেডি’ বা ‘রাষ্ট্রপতির স্ত্রী’ নয়, বরং তাঁকে ‘ফার্স্ট কমব্যাট্যান্ট’ বা ‘প্রথম যোদ্ধা’ বলা হয়।
২০১৩ সালে নিকোলা মাদুরো ক্ষমতা গ্রহণের পর ঘোষণা করেছিলেন, ‘ফার্স্ট লেডি’ পদবিটি বড্ড বেশি রাজকীয় বা আভিজাত্যপূর্ণ। তাই তিনি স্ত্রীকে ‘প্রথম যোদ্ধা’ খেতাব দেন।
গত সপ্তাহের আগপর্যন্ত ভেনেজুয়েলার বাইরে সিলিয়া ফ্লোরেস খুব পরিচিত নাম না থাকলেও এখন স্বামী নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদকসন্ত্রাসের অভিযোগে করা মামলায় তাঁকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। ফলে তিনি বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন।