কিউবায় তেল রপ্তানি করলে বাড়তি শুল্ক দিতে হবে: ট্রাম্প
কিউবার কাছে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে তেল বিক্রি করা দেশের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বৃহস্পতিবার এক নির্বাহী আদেশে তিনি এ ঘোষণা দেন। তবে শুল্কের হার কত হবে বা কোন কোন দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রীকে। ১৯৬২ সাল থেকে কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চলছে। কিছুদিন আগপর্যন্ত দেশটি ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেলের অধিকাংশ চাহিদা পূরণ করত। কিন্তু গত মাসের শুরুতে হাভানার প্রধান মিত্র ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র তুলে নিয়ে যায়। এরপর কার্যত দেশটির তেল রপ্তানির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সেই তেল সরবরাহের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমি জোরালো পরামর্শ দিচ্ছি, দেরি হওয়ার আগেই তারা (কিউবা) যেন একটি সমঝোতায় পৌঁছায়।’ তবে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী ধরনের চুক্তি করতে চাইছে—সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেয়নি ওয়াশিংটন। এদিকে ট্রাম্পের এমন হুমকির পর গত বৃহস্পতিবার কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ এক্সে (সাবেক টুইটার) যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে কিউবা ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর আগ্রাসন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ৬৫ বছরের বেশি সময় ধরে কিউবা সবচেয়ে দীর্ঘ ও নিষ্ঠুর অর্থনৈতিক অবরোধের শিকার হয়েছে।