ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নিয়ে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনার আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স (বাঁয়ে)। ১১ এপ্রিল ২০২৬ছবি: এএফপি

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনার বিষয়ে কথা বলছে যুক্তরাষ্ট্র, তারা একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী—গতকাল বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

ওয়াশিংটন যদি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে না নেয়, তাহলে লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান।

গত সপ্তাহান্তে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এ সপ্তাহেই আবার আলোচনা শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনের এই বার্তা নিয়ে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছেছে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, পরবর্তী দফার আলোচনা ‘খুব সম্ভবত’ পাকিস্তানের রাজধানীতেই হবে।

লেভিট আরও বলেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা চলছে এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা নিয়ে আমরা আশাবাদী।’

প্রথম দফার আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ছয় সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের অবসান এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে কয়েক দশকের পুরোনো বিরোধের সমাধান করতে ইরানকে একটি ‘বৃহৎ সমঝোতা’ প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর ইরানি বাহিনী এই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে। এখন এটি যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সমাধান না হলে এবং তেলের দাম বেশি থাকলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ‘কঠিন সময়ের’ মুখে পড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, এতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং খাদ্যপণ্যের দামেও প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন