২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার পা ‘কথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন শত শত লোককে কারাগারটিতে আটকে রাখা হয়।

সন্ত্রাসী সংগঠন আল কায়েদাকে অর্থায়নের অভিযোগে সাইফ উল্লাহকে ২০০৩ সালে থাইল্যান্ড থেকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্র। কারগারটিতে রাখা অন্যান্য বন্দিদের মতো তাঁর বিরুদ্ধেও কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি। এমনকি আইনি সহায়তার অধিকার থেকেও বঞ্চিত ছিলেন পাকিস্তানি এই ব্যবসায়ী।

শনিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা আনন্দিত যে বিদেশে আটক একজন পাকিস্তানি নাগরিক অবশেষে তার পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হয়েছে।’

৯/১১-এর পরবর্তী সময়ে ‘জঙ্গিদের’আটক রাখতে ২০০২ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এই কারাগার চালু করেন। দক্ষিণ কিউবায় অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিতে কারাগারটি অবস্থিত। ১৯০৩ সালের হাভানা চুক্তির আওতায় কিউবা থেকে ইজারা নিয়ে মার্কিন এই ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছিল। কারাগারটি চালু করার পর থেকে বেশ দ্রুত এর কুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা দুনিয়ায়। খাঁচার ভেতর বেড়ি ও হাতকড়া পরা কয়েদিদের ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর এই কারাগার ঘৃণার প্রতীক হিসেবে পরিচিত হয় মানুষের কাছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এই কারাগার বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু কংগ্রেসের বাধার কারণে তাঁর উদ্যোগ আংশিক ব্যাহত হয়।