ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা থেকে ট্রাম্পকে বিরত রাখার নেপথ্যে কারা
ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি এবং গোটা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোয় তেহরানের পাল্টা হামলার হুমকিতে চলমান যুদ্ধ ভয়াবহ মোড় নিতে যাচ্ছিল। তবে আপাতত ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
দুই দেশের মধ্যে চলমান এই উত্তেজনা কমাতে কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একাধিক দেশ বার্তা আদান-প্রদান করে আসছে। এই আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তুরস্ক ও মিসর উভয় দেশই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকজন নেতার কাছ থেকে সতর্কবার্তা পেয়েছেন যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানোর ট্রাম্পের হুমকি ভয়াবহ পাল্টা আঘাতের কারণ হতে পারে। এমনকি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশগুলোও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
আঞ্চলিক নেতারা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছেন।
যোগাযোগের এই ব্যাপক তৎপরতা সত্ত্বেও যুদ্ধের একটি ‘সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত সমাধান’ নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষ কতটুকু এগিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। আজ সোমবার ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে এমন সমাধানের কথা উল্লেখ করেন।
তবে ইরান এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ—যেকোনো ধরনের যোগাযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ফক্স বিজনেস’কে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সর্বশেষ আলোচনাটি গতকাল রোববার রাতে তাঁর বিশেষ দূত উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারের মাধ্যমে হয়েছে।