প্রতিবছরই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর শান্তিতে নোবেল পাওয়া উচিত: হেগসেথ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ‘প্রতিবছরই’ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত। শুক্রবার ইরানের বিরুদ্ধে চলমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র হালনাগাদ তথ্য জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে পিট হেগসেথকে প্রশ্ন করা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের এই লক্ষ্য অনুযায়ী ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের’ (ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার) নাম বদলে ‘শান্তি মন্ত্রণালয়’ (ডিপার্টমেন্ট অব পিস) রাখা হবে কি না।
জবাবে মার্কিন সামরিক নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’র ধারণার ওপর জোর দেন হেগসেথ। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু আমাদের দেশেরই নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করছি, তা নয়; আমরা পুরো বিশ্বের অনেক মানুষের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’
হেগসেথ বলেন, ‘আসলে এটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। আপনি প্রতিরক্ষা থেকে যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাবেন, কারণ আপনি শক্তির মাধ্যমে শান্তি অর্জনে আগে থেকেই তৎপর থাকতে চান। আমি জেনারেলদের সামনে দেওয়া এক বক্তৃতায় “যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের” আদর্শ বা দর্শন নিয়ে আলোচনা করেছি। আমি চাই এই ভাবনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে যাক।’
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এর একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। এটি কেবল কথার কথা নয়। যখন আপনি ঠিকঠাক উপায়ে যুদ্ধ করেন, তখন তার ফল হিসেবে শান্তি অর্জিত হবে। আমরা মূলত এটাই দেখতে চাই।’
এদিকে যুদ্ধ বন্ধের চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আবার পাকিস্তান গেছেন। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আলোচনার ক্ষেত্রে বিষয়টিকে আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন, আরাগচির আবার ইসলামাবাদে আসাটা এটাই তুলে ধরছে যে আলোচনার চেষ্টা ভেস্তে যায়নি বরং এটা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা।