ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে : জেডি ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরানের সবশেষ প্রস্তাবকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করার পর দেশটির সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে বলে বিশ্বাস করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

হোয়াইট হাউসে গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের ভ্যান্স বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা উন্নতি করছি। তবে মূল প্রশ্ন হলো, আমরা কি প্রেসিডেন্টের বেঁধে দেওয়া সীমার মধ্যে থেকে যথেষ্ট অগ্রগতি করতে পারছি?’

ভ্যান্স আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের শর্ত খুবই স্পষ্ট। তাকে এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে যে, আমরা এমন কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করেছি যাতে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।’

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আরও উল্লেখ করেছেন যে, শান্তি আলোচনায় ওয়াশিংটন এবং ইরান উভয়ই ‘অগ্রগতি’ করছে।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, ইরানের হাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না—এই লক্ষ্যে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একমত।

হরমুজ প্রণালীর ওপর সার্বভৌমত্ব ইরানের, বিষয়টি ‘নিষ্পত্তি’ হয়ে গেছে

এদিকে ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ দাবি করেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ইরানের। এই নৌপথের ওপর তার দেশের অধিকার ‘প্রতিষ্ঠিত’ এবং এ বিষয়টি ‘মীমাংসিত’ হয়ে গেছে।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ইসনার বরাত দিয়ে তিনি জানান, অতীতে দেশটির নীতি ছিল মূলত নিষেধাজ্ঞা ও বহিঃশক্তির চাপের ওপর ভিত্তি করে। তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ইরান এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেবে।

অবরোধ তুলে নিলে হরমুজ খুলে দিতে রাজি ইরান

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজিম ঘারিবাবাদি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়, তবে ইরানও হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে প্রস্তুত।

নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের কাজিম ঘারিবাবাদি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করে, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, ইরানের আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেয় এবং যুদ্ধ বন্ধ করে—তবে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে প্রস্তুত।’