পুলিশপ্রধান বলেন, কর্তৃপক্ষ মন্টগোমারি কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়, ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এবং মদ, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যুরোর (এটিএফ) কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছে।

মারলো ওহাইও থেকে পালিয়েছেন বলেও পুলিশপ্রধানের বক্তব্যে বলা হয়েছে। স্থানীয় নিউজ পোর্টালগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেক্সিংটন, কেনটাকি, ইন্ডিয়ানাপোলিস ও শিকাগোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক রয়েছে এবং সেসব শহরের একটিতে তিনি থাকতে পারেন বলে এফবিআই জানিয়েছে।

মারলোর শারীরিক গঠন ও পোশাকের বর্ণনার পাশাপাশি তাঁর নিজের ও তাঁর গাড়ির ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে এফবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

পুলিশপ্রধান পোর্টার বলেন, ‘শুক্রবার দুপুরের ঠিক আগে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ সাড়া দেয়। হামলার শিকার চারজনই ঘটনাস্থলে নিহত হন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এই উপশহরে এটাই প্রথম সহিংস অপরাধ। এই ভয়াবহ শোকাবহ ঘটনার পেছনে কোনো উদ্দেশ্য কিংবা মানসিক অসুস্থতার কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে আমরা কাজ করছি।’

শহরে অতিরিক্ত বাহিনী ও ডেটন পুলিশের বম্ব স্কোয়াডের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ডেটন থেকে প্রায় ৯ মাইল উত্তরের বাটলার টাউনশিপে জনসংখ্যা ৮ হাজারের কিছু কম।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন