রাজ্য পুলিশ এখন পর্যন্ত যাঁদের শনাক্ত করেছে, তাঁরা হলেন ডেল বেকার (১৯), স্টার বেকার (২২), ডেভিড ডবার্ট সিনিয়র (৭৯), শ্যানন ডরবার্ট (৪২), লরা ডবার্ট (৪৭), মারিয়ান স্লাসার (৫৪)।

হ্যারল্ড বেকার বলেন, বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁর ছেলে ডেল বেকারও অগ্নিনির্বাপণ বাহিনীতে যোগ দিয়েছিল। পুলিশ বলছে, রক্ত দেখে মরদেহ শনাক্ত করতে পারে, তাঁদের সঙ্গে থাকা এমন কিছু কুকরের সাহায্যে ধসে যাওয়া ওই ভবনটি থেকে হ্যারল্ড বেকারের পরিবারের সদস্যদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগুন লাগার পর তিন ব্যক্তি কোনোমতে বাড়িটি থেকে বের হতে সমর্থ হন ও প্রাণে বাঁচেন।

ফিলাডেলফিয়া থেকে উত্তর–পশ্চিমে ১৫০ কিলোমিটার দূরের নেসকোপেকে একটি গ্রামীণ এলাকা। সেখানে স্থানীয় সময় গতকাল দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে আগুন লাগে।

পেনসিলভানিয়া রাজ্য পুলিশের লেফটেন্যান্ট ডেরেক ফেলসম্যান গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাড়ির পেছনের অংশ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করার সাহসী চেষ্টা চালিয়েছিলেন অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা। কিন্তু আগুনের তেজ ও তাপ অনেক বেশি হাওয়ার কারণে তাঁরা সেখান থেকে পিছু হটতে বাধ্য হন।’

হ্যারল্ড বেকার উইকস ব্যারে শহরের সংবাদপত্র সিটিজেন ভয়েসকে বলেন, ‘যখন আমরা এখানে ডিউই স্ট্রিটে মোড় ঘুরলাম, তখনই আমি রাস্তার নিচের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারি এটা কাদের বাড়ি। আমি ছিলাম প্রথম গাড়িতে। যখন আমি গাড়ি থেকে নামলাম তখন পুরো এলাকায় আগুন জ্বলছিল। আমরা এর মধ্যেই ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করি।’

ডব্লিউএনইপি–টিভিকে হ্যারল্ড বেকার বলেন, ‘শিশুরা সেখানে ছিল এবং আমার দুই সন্তান তাদের খালা–খালুর বাড়িতে ঘুরতে সম্প্রতি সেখানে গিয়েছিল। এর মধ্যে এক শিশু ওই বাড়ির। সবাই মিলে সেখানে ঘুরতে গিয়েছিলেন তাঁরা।’

পেনসিলভানিয়ার গভর্নর টম ওলফ টুইটারে লিখেছেন, হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় তিনি ভীষণ মর্মাহত।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন