আইসক্রিমের ‘লোভে’ দোকানে ভালুক

কাউন্টারের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা ভালুকছবি: এল ডোরাডো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের ফেসবুক থেকে নেওয়া

আইসক্রিম খেতে কার না ভালো লাগে! আইসক্রিম পারলারগুলোয় বাক্সের ভেতর সাজানো নানা রঙের আইসক্রিম দেখে জিবে জল আসে না, এমন কাউকে পাওয়া দুষ্কর। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কালো ভালুকও কি দোকানের বাইরে থেকে ভেতরের আইসক্রিম দেখে লোভে পড়ে গিয়েছিল? না হলে রাতের আঁধারে চুপি চুপি এ কাণ্ড সে কেন করবে?

সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার এল ডোরাডো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর জানানো হয়েছে, যা শুনে এক দিকে যেমন ভয় লাগবে, অন্যদিকে হাসিও আসবে।

এল ডোরাডো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় থেকে গত মঙ্গলবার ফেসবুকে এক পোস্টে বলা হয়, রোববার (১৭ আগস্ট) ভোরে সাউথ লেক তাহোর ক্যাম্প রিচার্ডসনের একটি আইসক্রিম পারলার থেকে ফোন করে পুলিশের সাহায্য চাওয়া হয়।

ফোন পেয়ে ডেপুটি শেরিফরা ঘটনাস্থলে ছোটেন। ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, সেখানে গিয়ে ডেপুটিরা যা দেখতে পান, তা তাঁরা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

পোস্টে আরও বলা হয়, আইসক্রিমের দোকানের কাউন্টারের পেছনে একটি বড় ভালুকে দেখে ডেপুটিরা যেন নিজেদের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

ভালুকটি কাউন্টারের অপর পাশে এমনভাবে দাঁড়িয়ে ছিল, যেন সে কিছুই জানে না। শিশুরা যেভাবে ফ্রিজ থেকে চুপি চুপি আইসক্রিম খেতে গিয়ে ধরা পড়ে, অনেকটা তেমন।

ভালুকটি দোকান ভেঙে ভেতরে ঢুকে শুধু স্ট্রবেরি ফ্লেভারের আইসক্রিমই খেয়েছে। অন্য ফ্লেভারের আইসক্রিমের বাক্স সে ধরেনি।

লোকজনের আনাগোনা আর হইচই দেখে ভালুকটি শুরুতে একটু ঘাবড়ে গেলেও পরে ধীরপায়ে দোকান থেকে বের হয়ে যায়।

ভালুকটি দোকানে ঢুকলেও ভেতরে খুব একটা ভাঙচুর চালায়নি। শেরিফ কার্যালয় থেকে দেওয়া পোস্টে বলা হয়, সৌভাগ্যবশত, ভালুকটি সেখানে সম্পদের প্রায় কোনো ক্ষতিই করেনি। তাই তাঁদের সেখানে তেমন কোনো পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালাতে হয়নি। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোড়ন তুলেছে।