অন্য শীর্ষস্থানীয় ধনকুবেরদের মধ্যে বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং বেজোসের সাবেক স্ত্রী ম্যাকেনজি স্কট—সবাই নিজেদের সম্পদ দান করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। 

বেজোস দাতব্য কাজে ব্যবহারের জন্য সংগীত তারকা ও জনহিতৈষী ডলি পার্টনকে ১০ কোটি ডলার দান করার পর নিজের এ পরিকল্পনার কথা জানান। 

নিজের জীবদ্দশায় সম্পদের বেশির ভাগই দান করে দেবেন কি না, সিএনএনের এমন প্রশ্নের উত্তরে বেজোস বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তা-ই করব।’ তবে কোন খাতে এই অর্থ দান করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু তিনি বলেননি।

এর আগে এই ধনকুবের ‘বেজোস আর্থ ফান্ডে’ এক হাজার কোটি ডলার দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ২০২০ সালে সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে।

বেজোস ও অন্য উদ্যোক্তারা পৃথিবীতে সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে মহাকাশ ভ্রমণে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের জন্য সমালোচিত হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। অতীতেও জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা নিয়ে অ্যামাজন নিজের কর্মীদের দ্বারা সমালোচিত হয়েছিল।

বিশ্বব্যাপী অ্যামাজনের ব্যবসা সম্প্রসারিত হলে পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ ধনীতে পরিণত হন বেজোস। ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

বেজোস ২০২১ সালে অ্যামাজনের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তবে তিনি কোম্পানিটির পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন। এ ছাড়া বেজোস প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এবং মহাকাশ পর্যটন কোম্পানি ব্লু অরিজিনের মালিক।