যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নথির বরাত দিয়ে এবিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলের ডারউইন শহর থেকে আনুমানিক ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত টিন্ডাল নামে বিমানঘাঁটিতে শুধু বোমারু বিমান মোতায়েন করে রাখার জন্য বিশদ একটি পরিকল্পনা তৈরির কাজ করছে ওয়াশিংটন।

এবিসির প্রতিবেদন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগ কোনো মন্তব্য করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী বলেছে, ‘অস্ট্রেলিয়াতে মার্কিন বোমারু বিমান মোতায়েনের বিষয়টি আমাদের প্রতিপক্ষের কাছে আকাশপথে আমাদের প্রাণঘাতী সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে একটি শক্তিশালী বার্তা দেবে।’

সামরিক বিশ্লেষকেরা এবিসিকে বলেছেন, স্বশাসিত দ্বীপাঞ্চল তাইওয়ানে চীন সামরিক অভিযান চালাতে পারে, এমন শঙ্কার মধ্যে এটা একধরনের সতর্কবার্তা।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির বেকা ওয়াসের বলছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এসব বোমারু বিমান অস্ট্রেলিয়া থেকে চীনের মূল ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারবে। তাইওয়ান নিয়ে চীনের যেকোনো পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া কী হবে, এর মধ্য দিয়ে বেইজিংকে সেই বার্তা দেওয়া হচ্ছে।’

তাইওয়ানসহ নানা বিষয়ে সাম্প্রতিক বছরে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও সামরিক উত্তেজনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে চীনকে মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা কেন্দ্র হয়ে উঠছে, সেখানে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে ১০০ কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে ওয়াশিংটন।