আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি ট্রাম্প প্রশাসনের

নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ভবন। ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ফাইল ছবি: রয়টার্স
প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলেএখানে ক্লিক করুন

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। শিগগিরই তা ঘোষণা করা হতে পারে। এ বিষয়ে অবগত দুটি সূত্র রোববার এ তথ্য জানিয়েছে। এ পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার বিচারকারী আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আইসিসির প্রতি নিজেদের ক্ষোভের কথা কখনো গোপন করেনি ট্রাম্প প্রশাসন এবং আদালতের কার্যক্রম ব্যাহত করতে তারা আগেও কাজ করেছে। ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাসদস্যদের বিরুদ্ধে অতীতের তদন্ত বাতিল করার দাবি জানিয়ে আসছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

পুরো সংস্থাকে সরাসরি এবং এর সঙ্গে সহযোগিতা করা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হলে তা আদালতের কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারে।

আইসিসির প্রতি ট্রাম্পের বিরোধিতা তাঁর প্রথম মেয়াদের শাসনামল থেকেই শুরু। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ট্রাম্প পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর এবং গাজা সংঘাতের অভিযোগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আইসিসি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে আইসিসি কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতায় আনার এই পরিকল্পনা আবারও সামনে আসে।

যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের উদ্দেশ্যে ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আইসিসি প্রতিষ্ঠা করে। সদস্যরাষ্ট্রগুলো নিজস্ব বিচারব্যবস্থায় অপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলে বা অনিচ্ছুক হলেই কেবল আদালত এই এখতিয়ার প্রয়োগ করেন। যুক্তরাষ্ট্র কখনোই এই আন্তর্জাতিক আদালতের সদস্য ছিল না।