সৈকতে হারিয়েছিল আংটি,পাওয়া গেল ৪৪ বছর পর
৪৪ বছর আগের কথা। সালটা ১৯৮২। তখন হাইস্কুলে পড়তেন ড্যারিয়েন ল্যানডার। বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিলেন সমুদ্রসৈকতে। তবে কপাল ছিল খারাপ। স্কুল থেকে দেওয়া একটি আংটি সেখানে হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাননি। অবশেষে ২০২৬ সালে এসে আংটিটির সন্ধান পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছিল যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে। সেখানকার হ্যারিসন এলাকায় পাস ক্রিশ্চিয়ান শহরের বাসিন্দা ছিলেন ল্যানডার। আংটিটি ওই শহরের সমুদ্রসৈকতে হারিয়েছিলেন তিনি। তখন তিনি পাস ক্রিশ্চিয়ান হাইস্কুলের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দফুর্তির সময় আংটিটি ল্যানডারের আঙুল থেকে ফসকে বেরিয়ে যায়।
এত দিন পর আংটিটি খুঁজে পাওয়ার পর হতবাক ল্যানডার। খুশির কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছেন। লিখেছেন, কীভাবে ফিরে পেলেন সেই আংটি। ল্যানডারের ভাষায়, আংটিটি হারিয়ে যাওয়ার পর তাঁরা বালুতে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করেন। এতে আংটিটি আরও গভীরে চলে যায়। স্কুলের সহকারী প্রধানও মেটাল ডিটেক্টর নিয়ে হাত লাগিয়েছিলেন। তবে কাজের কাজ কিছু হয়নি।
তখন হাল ছেড়ে দিতে বাধ্য হন ল্যানডার। এরপর গত সোমবার তাঁকে ফেসবুকে একটি বার্তা পাঠান সামি জুয়েল নামের এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, সমুদ্রসৈকতে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে মূল্যবান কিছুর খোঁজ করছিলেন। তখন আংটিটি পেয়েছেন। সেটি ল্যানডারকে ফিরিয়ে দিতে চান। ডব্লিউএলওএক্স–টিভি নামের একটি সম্প্রচারমাধ্যমকে ল্যানডার বলেন, ‘শুনে বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না।’
ল্যানডার সবচেয়ে অবাক হন, যখন জানতে পারেন আংটিটি যেখানে হারিয়েছিল, ঠিক সেখানেই পাওয়া গেছে। ডব্লিউএলওএক্স-টিভিকে তিনি বলেন, ‘১৯৮২ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে আমি আংটিটি হারিয়ে ফেলি। তারপর থেকে সেখানে সাতটি হারিকেন হয়েছে। আঘাত হেনেছে আরও পাঁটি শক্তিশালী ঝড়। সৈকতে ভারী যন্ত্রপাতিও চালানো হয়েছে। আংটিটির ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। এরপরও ছোট্ট একটি আঁচড় ছাড়া সেটি খুব ভালো অবস্থায় রয়েছে।’