default-image

গত রোববার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলায় জাওয়াহিরি (৭১) নিহত হন। পরদিন সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাওয়াহিরিকে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে আল-কায়েদার সন্ত্রাসী হামলায় জাওয়াহিরির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে মনে করা হয়। এ হামলায় তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন।

১৯৯৮ সালে কেনিয়া ও তানজানিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে বোমা হামলায় ভূমিকার জন্যও জাওয়াহিরিকে অভিযুক্ত করা হয়। ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় থাকা জাওয়াহিরির মাথার জন্য ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

২০১১ সালে ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর আল-কায়েদার প্রধান হন জাওয়াহিরি। তার আগে তিনি আল-কায়েদার মূল সংগঠক ও কৌশল নির্ধারণকারী ছিলেন।

জাওয়াহিরি নিহত হওয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বিশ্বব্যাপী তার সতর্কতা হালনাগাদ করে। হালনাগাদ সতর্কতায় তারা বলেছে, জাওয়াহিরি হত্যার জেরে আমেরিকাবিরোধী সহিংসতার উচ্চ আশঙ্কা রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, বর্তমান তথ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো বিশ্বের একাধিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছে। তা আত্মঘাতী হামলা হতে পারে। আবার গুপ্তহত্যা, অপহরণ, হাইজ্যাক, বোমা হামলার মতো কৌশলও হতে পারে।

এ অবস্থায় মার্কিন নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে জোরালোভাবে উৎসাহিত করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন