ওই সময় প্রেসিডেন্ট বাইডেন আফ্রিকার আটটি দেশ থেকে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছিলেন। তিনি আমেরিকানদের আতঙ্কিত না হতে বলেন। পরে সামরিক বাহিনীর চিকিৎসা কর্মীদের হাসপাতালগুলোতে নিয়োজিত করেন প্রেসিডেন্ট। কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেছিলেন, রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হবে।

হোয়াইট হাউসের কোভিড-১৯ রেসপন্স কো-অর্ডিনেটর চিকিৎসক আশীষ কে ঝা বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমেরিকানরা টিকা ও বুস্টার নেওয়া অব্যাহত রাখছেন, ততক্ষণ তিনি এই ছুটির মৌসুম নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘উপধরনগুলোতে আমি এমন কিছুই দেখিনি, যাতে আমাকে মনে করতে হবে যে আমরা আমাদের কাজকর্ম কার্যকরভাবে চালিয়ে যেতে পারব না। বিশেষ করে যদি লোকজন এগিয়ে আসেন এবং নিজেদের টিকাটা নেন।’

এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হতে পারে। দুই বছর ধরে একের পর এক টিকার প্রচারণায় ক্লান্ত আমেরিকানরা নতুন বুস্টার ডোজ নিতে অনিচ্ছুক। প্রশাসন গত সেপ্টেম্বরে এই বুস্টার দেওয়া শুরু করেছে।

এখন পর্যন্ত মডার্না ও ফাইজারের টিকার পরিমার্জিত ডোজের একটি নিয়েছেন মাত্র ৩ কোটি ৫০ লাখ আমেরিকান। অথচ প্রশাসন এর চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি মানুষের জন্য টিকার নতুন ডোজ কিনে রেখেছে।
করোনায় এখনো প্রতিদিন প্রায় ৩০০ আমেরিকান মারা যাচ্ছেন। যদিও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, টিকা ও চিকিৎসার মাধ্যমে এখন করোনাজনিত প্রতিটি মৃত্যুই প্রতিরোধযোগ্য।