পৃথিবীর নতুন মানচিত্র নিয়ে আপত্তি
পৃথিবীর নতুন মানচিত্র নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ভারত, ইউক্রেন ও জাপান। দেশগুলোর দাবি, নতুন এই মানচিত্রে কিছু অঞ্চল ও সীমানা ঠিকঠাকভাবে তুলে ধরা হয়নি।
চলতি মাসের শুরুর দিকে পৃথিবীর নতুন মানচিত্র গ্রহণের পক্ষে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভোটাভুটি হয়। ভোটে বহুলব্যবহৃত পৃথিবীর মারকেটর মানচিত্র ব্যবহার বাতিল করা হয়। ১৫৬৯ সালে তৈরি এই মানচিত্রে আফ্রিকার আকৃতি ছোট করে দেখানো হয়েছে। এরপর বিপরীতে তুলনামূলক সঠিক ইকুয়াল আর্থ মানচিত্র ব্যবহারের কথা বলেছে জাতিসংঘ।
নতুন মানচিত্রে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ এবং উত্তরের আকসাই চিন অঞ্চলকে ভারত ও চীনের মাঝখানে আলাদা অঞ্চল হিসেবে দেখানো হয়েছে। ভারত আকসাই চিনকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে। তবে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকে অঞ্চলটি চীনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ছাড়া কাশ্মীরের মানচিত্র নিয়েও আপত্তি তুলেছে নয়াদিল্লি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, পৃথিবীর নতুন মানচিত্রকে ভারতের সরকারি মানচিত্র অনুযায়ী দেখাতে হবে। কোনো ভুল বা বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন গ্রহণযোগ্য হবে না।
ইউক্রেনের আপত্তি ক্রিমিয়া নিয়ে। ইউক্রেনের এই উপদ্বীপ ২০১৪ সালে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করে নেয় রাশিয়া। তবে ক্রিমিয়াকে এখনো নিজেদের বলে দাবি করে কিয়েভ। তারা বলেছে, নতুন মানচিত্রে ক্রিমিয়াকে যে রঙে দেখানো হয়েছে, তার সঙ্গে রাশিয়ার ভূখণ্ডের রং বেশি মিলে যায়।
কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে ইকুয়াল আর্থ মানচিত্রে রাশিয়ার অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে জাপান। ১৯৪৫ সালে জাপানের কাছ থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন কুরিল দ্বীপপুঞ্জের একটি অংশ দখল করে নেয়।