সিপিজে জানিয়েছে, ২০২২ সালে হত্যার শিকার ৬৭ সাংবাদিকের মধ্যে অর্ধেকের বেশি (৩৫ জন) ইউক্রেন, মেক্সিকো ও হাইতি—এই তিন দেশে। এর মধ্যে ইউক্রেনে ১৫ জন, মেক্সিকোয় ১৩ জন ও হাইতিতে ৭ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গত বছর ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ফিলিপাইন, ইকুয়েডর, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস, কেনিয়া, কাজাখস্তান, তুরস্ক, সোমালিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়ে, মিয়ানমার, শাদ, ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন দেশে সাংবাদিকেরা হত্যার শিকার হয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ, বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ, সরকারের দমনপীড়ন, আগ্রাসনের জেরে সাংবাদিকেরা হত্যার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে সিপিজে। সংগঠনটির মতে, এসব ঘটনা শান্তি ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য চরম চ্যালেঞ্জ।

এ বিষয়ে সিপিজের প্রেসিডেন্ট জোডি গিনসবার্গ বলেন, সাংবাদিকদের হত্যা করা হচ্ছে সবচেয়ে ঘৃণ্য ঘটনাগুলোর একটি। এসব ঘটনা বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকতার জন্য চরম অবনতিশীল পরিবেশের ইঙ্গিত দেয়।

এর আগে গত ডিসেম্বরে ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ইনস্টিটিউটের (আইপিআই) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২২ সালে বিশ্বে ৬৬ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী পেশাগত কারণে নিহত হয়েছেন। নিহত সাংবাদিকদের মধ্যে ৮ জন নারী ও ৫৮ জন পুরুষ রয়েছেন।

প্রতিবেদনে গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করা হয়েছে। আইপিআই বলেছে, ২০২২ সালে বিশ্বে সাংবাদিকদের ওপর রোমহর্ষ হামলা ও হত্যার অন্যতম ঘটনা গত মে মাসে পশ্চিম তীরে। ইসরায়েলি অভিযান কাভার করার সময় ইসরায়েলের বাহিনীর গুলিতে নিহত হন আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ।