মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধি

মন্ত্রী ও রাজনীতিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ।

উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক, বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ ও  রুমিন ফারহানা, বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দিন স্বপন, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

বিদেশি কূটনীতিক

কূটনীতিকদের মধ্যে ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি, জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম টোস্টার, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যানি ভন লুইয়েনম, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাতালি শুয়ার্ড, ফ্রান্সের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গিয়াম আউদ্রে দো কেদরে ও তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, ফিলিস্তিন, নেপাল এবং ইউনিসেফ ও আইএলওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশিষ্টজন

অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিশিষ্ট আইনজীবী আমীর–উল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী ও গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী; সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক সচিব ইনাম আহমেদ চৌধুরী, আলী ইমাম মজুমদার, ফারুক সোবহান ও তৌহিদ হোসেন; অধিকারকর্মী হামিদা হোসেন, শিরিন হক, আইরিন খান, শাহীন আনাম; লেখক আনোয়ারা সৈয়দ হক, শিল্পী রফিকুন নবী, ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত, অধ্যাপক পারভীন হাসান, অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অধ্যাপক মালেকা বেগম, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য আতিকুল ইসলাম, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির উপাচার্য জহিরুল হক, বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম; সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান।

আরও অংশ নেন লেখক মহিউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক এম এম আকাশ, অধ্যাপক আসিফ নজরুল, অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, আইনজীবী সারা হোসেন, তানিয়া আমীর ও  তানজিব-উল-আলম; গবেষক গওহার নঈম ওয়ারা, কলাম লেখক আলতাফ পারভেজ, স্যার জন উইলসন স্কুলের অধ্যক্ষ সাবরিনা শহীদ, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মোহিত কামাল, অধ্যাপক আহমেদ হেলাল, মেখলা সরকার ও চিকিৎসক তানজিনা হোসেন; লেখক ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ, কলাম লেখক নিশাত সুলতানা ও  ইলিরা দেওয়ান।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেরদৌসী মজুমদার, রামেন্দু মজুমদার, সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, অদিতি মহসিন, বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী, অভিনয়শিল্পী ইলিয়াস কাঞ্চন, তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, চঞ্চল চৌধুরী, ইরেশ যাকের, আজমেরী হক বাঁধন, মেহজাবীন চৌধুরী, মডেল আদিল হোসেইন নোবেল, চলচ্চিত্র পরিচালক  পিপলু আর খান ও সৌন্দর্যবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান।

সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতা

সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম, ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ ও ভোরের কাগজের পরিচালক তারিক সুজাত। সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি এম আবদুল্লাহ, বিএফইউজে—বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব দীপ আজাদ ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম।

সরকারি কর্মর্কতা

এনটিএমসির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) খন্দকার গোলাম ফারুক, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ী–করপোরেট ব্যক্তিত্ব

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) সভাপতি মাহবুবুর রহমান, এসিআই গ্রুপের চেয়ারম্যান আনিস উদ দৌলা, কাজী ফার্মস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, এনভয় টেক্সটাইলের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ, জিপিএইচ ইস্পাতের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর কবির, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী, গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, আকিজ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেখ বশির উদ্দিন, ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক আতিকুর রহমান ও হেড অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (করপোরেট) যারেফ আয়াত হোসেন, এফবিসিসিআইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, হাতিলের চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান, র‍্যাংগস প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশিদ রহমান, বিল্ডিং ফর ফিউচারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীরুল হক, আকিজ ভেঞ্চারসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলমগীর, বিজিএপিএমইএর সাবেক সভাপতি রাফেজ আলম চৌধুরী, বিজিএমইএর পরিচালক নাভিদুল হক, এসিআই মোটরসের নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস, টিভিএস অটো বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার রায়, বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের অর্থ ও বাণিজ্য বিভাগের প্রধান শাহ মোহাম্মদ আশেকুর রহমান, র‌্যাংগস ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক রুমী এ হোসাইন, নারী উদ্যোক্তা কণা রেজা, বিটিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ আর খান, রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান, ক্রিডেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিল্লুর করিম, গ্রে অ্যাডভার্টাইজিং, বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাউসুল আলম শাওন, মিডিয়াকম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অজয় কুমার কুন্ডু, এডিসন গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ, র‍্যানকন হোল্ডিংসের পরিচালক মাশিদ রহমান, ইলেকট্রোমার্ট লিমিটেডের নুরুল আবসার, মোবারক হোসেন; ওয়ালটন হাইটেকের মুস্তাফিজুর রহমান, গ্রুপ এমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরশেদ আলম, এশিয়াটিক মাইন্ড শেয়ার লিমিটেডের রেজাউল হাসান ও তাসনোবা তিনা, ওয়েব মেকারের হাসান ফারুক, হাভাস মিডিয়া বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাযহারুল হক চৌধুরী, এনেক্স কমিউনিকেশনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম আসাদুজ্জামান, ক্রসওয়াক কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মারুফ, প্রচিত আইওএমসির চেয়ারম্যান সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ব্যাংক ও আর্থিক খাত

ব্যাংক ও আর্থিক খাতের ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ছিলেন সিটি ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এমরানুল হক, এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মাহতাবুর রহমান, আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফরমান আর চৌধুরী, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবুল কাশেম মোহাম্মদ শিরিন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ওয়াসেক মোহাম্মদ আলী, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব উর রহমান, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম জামাল উদ্দিন, আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মমিনুল ইসলাম, মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. আহসান-উজ জামান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মামুন মাহমুদ শাহ, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম রিয়াজুল করিম, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয়, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুরশেদুল কবীর, পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ আলী, সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আফজাল করিম, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, মেট লাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমেদ, এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হুমায়ুন কবির, ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স করপোরেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নাসিমুল বাতেন, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জাফর আলম, নগদ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার রাশেদ মাকসুদ প্রমুখ।
ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, নারী ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার, বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ, সাবেক ফুটবলার শেখ মোহাম্মদ আসলাম, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব জোবেরা রহমান লিনু, নাজমূল আবেদীন প্রমুখ।