বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বুঝে উঠতে পারি না, কী এক ঘোরের মাঝে সেই মুহূর্তে ক্যামেরার সাটার টিপেছিলাম? নিজেও মানসিকভাবে স্বাভাবিক ছিলাম না। তার ওপর চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল নিথর রক্তাক্ত দেহ। কেউ জানাচ্ছিলেন বাঁচার আকুতি। অসহায় আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গিয়েছিলাম। মনে পড়ে ফটোসাংবাদিক মীর মহিউদ্দিন সোহান ভাই রক্তাক্ত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে যখন মোটরসাইকেলে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন, সেই মুহূর্তে

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের অসহায় দৃষ্টি। পুরোনো ছবিগুলো দেখে আঁতকে উঠি এই ভেবে, সেদিনের নারকীয় গ্রেনেড হামলার আগে গণমাধ্যমকর্মীসহ উপস্থিত জনতার সামনে কী ঘটতে যাচ্ছে, সেটি কারও কল্পনাতেও ছিল না। গ্রেনেড হামলার পর আহত ব্যক্তিরা একটু সহযোগিতা পাওয়ার আশায় যেভাবে আকুতি জানাচ্ছিলেন, তাঁদের অনেককেই

হয়তো সেদিন সহযোগিতা করতে পারিনি। কিন্তু যখন জানতে পারলাম, গ্রেনেড হামলার তদন্তে ফটোসংবাদিকদের সেই ছবিগুলো ভূমিকা রেখেছে, তখন মনে খানিকটা স্বস্তি পেয়েছি।
একদিন নিশ্চয়ই পরিকল্পনাকারী ও হামলাকারীদের বিচার হবে। কিন্তু গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের সেই আর্তনাদের, আকুতির দুঃসহ ক্ষণটি কি বেঁচে যাওয়াদের পিছু ছাড়বে?

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন