নির্ধারিত সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠানের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে গত ২৬ বছরে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল রোববার এ রুল দেন। শিক্ষাসচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর, রেজিস্ট্রারসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান। পরে আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী বলেন, ১৯২৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। গত ২৬ বছরে আর কোনো নির্বাচন হয়নি। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ডাকসুর ফি আদায় করা হচ্ছে, নির্বাচনের জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া আইনে আছে সিনেটে ডাকসু থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি থাকবে। এসব যুক্তিতে রিট করা হলে আদালত ওই রুল দেন।

ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মো. মোশতাক হোসেন এবং বর্তমান শিক্ষার্থী জাফরুল হাসান নাদিম গত বৃহস্পতিবার রিটটি করেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন