বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেবিচক বলছে, বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে হাইস্পিড কানেক্টিং ট্যাক্সিওয়ের নির্মাণকাজ চলবে। পাশাপাশি একই সময়ে লাইটিং সেক্টরের কাজও চলবে।

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ রানওয়ের একেবারে কাছে চলবে। এ সময় উড়োজাহাজের চলাচল নিরাপদ হবে না। এ কারণে বিমানবন্দরে ফ্লাইং কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ রাখা হবে। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এম মফিদুর রহমান আরও বলেন, বছরের এই সময়ে বিমানবন্দরে এমনিতেই ঘন কুয়াশা থাকে। তখন ফ্লাইং হয় না। এ সময়কে কাজে লাগানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শীতকালে বিমানবন্দরে ফ্লাইং শিডিউল পরিবর্তন হয় জানিয়ে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে শীতকালে ফ্লাইটের নির্ধারিত সূচি পরিবর্তন করা হয়। এটা আগে থেকেই পরিকল্পনা নিয়ে করা হয়ে থাকে। তবে এবার বন্ধ থাকাকালে যাত্রীদের চিন্তার কোনো কারণ নেই। রাতের ফ্লাইটগুলো সমন্বয় করা হবে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, সময়সূচি অনুযায়ী প্রতি বছর নভেম্বর থেকে শীতকালীন ফ্লাইট শুরু হয়। রাত ২টা থেকে সকাল ৮টা–৯টা পর্যন্ত কুয়াশা বেশি থাকে। এ সময় রানওয়েতে ফ্লাইটগুলোর ‘ভিজিবিলিটি’ (দৃশ্যমানতা) কম থাকে। এতে সমস্যায় পড়তে হয় উড়োজাহাজগুলোকে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন