বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের আমি বিশ্বাস করে বলেছিলাম আপনারা দাম বাড়াবেন না। কিন্তু তারা দাম বাড়িয়েছে। তাদের ভালোবেসে বিশ্বাস করেছিলাম যে আপনারা দাম বাড়াবেন না। কিন্তু তাদের বিশ্বাস করা ছিল আমার ব্যর্থতা। এভাবে বলা আমার ঠিক হয়নি।’

টিপু মুনশি বলেন, আগামী জুন মাস থেকে এক কোটি পরিবারকে সুলভমূল্যে তেল দেওয়া হবে টিসিবির মাধ্যমে। আপাতত টিসিবির তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই। প্রতি লিটার তেল ১১০ টাকা করেই বিক্রি হবে। তেল নিয়ে সিন্ডিকেট হয়নি। তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়েছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে, তাই আমাদের দেশেও বাড়বে, এটা অঙ্ক। এই দাম বাড়ার কথা ছিল রোজার আগেই। কিন্তু সরকার চায়নি রোজায় তেলের দাম বাড়ুক। সেই সময়ে কিছু অসাধু ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ী তেল মজুত করে রেখেছিল। সে জন্য বাজারে তেলের সংকট তৈরি হলো।’ বাজারে গেলে তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কিনতে হবে—এমনটা যাঁরা বলছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

সভায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেন, তেলের দাম বাড়ছে এবং বাজারে তেল নেই, এটার জন্য মিলমালিক দায়ী নন। তেল বাজারে আছে, তেল বাজার থেকে শেষ হয়ে যায়নি। হঠাৎ করে ৫ তারিখ তেলের দাম বাড়ার সিদ্ধান্তে বাজারের খুচরা বিক্রেতারা সংকট সৃষ্টি করেছেন। ফজলুর রহমান আরও বলেন, পর্যাপ্ত তেলের মজুত আছে। তেলের সংকট তৈরি করেছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। দু–এক দিনের মধ্যে বাজারে তেলের সরবরাহ আরও সহজ হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন