default-image

বাংলাদেশে হেফাজতে ইসলামের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ–হরতাল চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় অন্তত ১৭ জন সাংবাদিক আহত হন। নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) এই তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো তদন্তের পাশাপাশি তাঁদের রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সিপিজে বলেছে, ২৫ ও ২৬ মার্চ রাজধানী ঢাকায় মোদিবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের সদস্যরা হামলা করে। এ সময় বিক্ষোভ কাভারের দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকদের লাঠি দিয়ে পেটানো হয়।

বিজ্ঞাপন

২৬ মার্চ ঢাকায় মোদিবিরোধী বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে সাংবাদিকেরা আহত হন।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দিনের বিক্ষোভে অন্তত ১০ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

সিপিজের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের ঘটনায় পুলিশ বা বিক্ষোভকারীদের হামলায় অন্তত ১৭ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। হামলার শিকার অধিকাংশ আলোকচিত্রী।

এই প্রেক্ষাপটে বিক্ষোভে পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের অনিষ্ট না করার বিষয়টি নিশ্চিতে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সিপিজে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের ওপর পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের হামলার ঘটনাগুলো তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

সিপিজের এশিয়া প্রকল্পের সমন্বয়কারী স্টিভেন বাটলার বলেছেন, বাংলাদেশে বিক্ষোভ কাভার করা সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ক্ষতি সাধনের পরিবর্তে নিপীড়ন থেকে সাংবাদিকদের রক্ষা করা উচিত।

সংবাদমাধ্যমের ওপর এসব হামলাকে ভয়ংকর হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্টিভেন বাটলার। তিনি বলেছেন, এই ধরনের হামলা দেশের গণতন্ত্রের একটি মূল স্তম্ভকে দুর্বল করে দেয়।

সিপিজে বলেছে, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বিক্ষোভ চলাকালে বাংলাদেশে ফেসবুকে প্রবেশ ব্লক করে দেওয়া হয়। ফেসবুকে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার নির্দেশ দিয়েছিল কি না, সে সম্পর্কে তারা কোনো মন্তব্য করেনি।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন