বিবৃতিতে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাজিব কান্তি রায় ও সাধারণ সম্পাদক সুহাইল আহমেদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্বাচলে প্রায় ৫২ একর জমি বরাদ্দ দিয়েছে রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ)। কিন্তু সেই জমি বুঝে নিতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে রাজউকের কাছ থেকে জমি নিতে পারছে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ নিয়ে ১০ নভেম্বর প্রথম আলোতে ‘ঢাবির নামে বরাদ্দ করা জমিতে অন্যদের নজর’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটির বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত ওই জায়গায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পাঁয়তারা করছে এক প্রভাবশালী মহল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত আবাসনব্যবস্থা ও ক্লাসরুম নেই উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নিবিড় গবেষণার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই। স্থান সংকুলান না হওয়ার দরুন নতুন আবাসিক হল ও একাডেমিক বিল্ডিংও স্থাপন সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য যে আয়োজন দরকার, তার প্রশ্নে রাষ্ট্র বরাবরই নিষ্প্রভ ভূমিকা পালন করছে।

‘বর্তমান যুগ ও কর্মসংস্থানের জন্য অনুপযোগী’ বিভাগ কমানোর বিষয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রীর ইঙ্গিত সম্পর্কে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মৌলিক জ্ঞান চর্চাকে সংকুচিত করে শুধু বিশেষায়িত জ্ঞান চর্চা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিবৃতিতে অবিলম্বে বরাদ্দ দেওয়া জমির জন্য অর্থছাড় ও নির্দিষ্ট স্থানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।