মার্চে অপরিবর্তিত থাকছে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম

এলপিজিপ্রতীকী ছবি

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। চলতি মার্চ মাসেও গত ফেব্রুয়ারি মাসের মতো প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১১১ টাকা ৭৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৩৪১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম অপরিবর্তিত রাখার বিষয়টি জানায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

গত মাসের শুরুতে ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর এলপিজির আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে দাম সমন্বয় করে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।

বিইআরসি জানায়, প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১১১ টাকা ৭৪ পয়সা ধরে বাজারে থাকা বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে দেওয়া সত্ত্বেও বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। গৃহস্থালির কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। কিন্তু দুই মাসের বেশি সময় ধরে এলপিজির সরবরাহ-সংকট চলছে। এই অজুহাতে প্রতি সিলিন্ডারে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা।

এদিকে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটোগ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৬১ টাকা ৮৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরেই দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। এ ছাড়া আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে সংস্থাটি।